ব্রণ কমানো, ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা মসৃণ করা কিংবা ত্বকের গঠন ভালো রাখা। এসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এলইডি ফেস মাস্ক ও নানা ধরনের স্কিনকেয়ার গ্যাজেট।ঘরে বসেই সৌন্দর্যচর্চার সুযোগ থাকায় অনেকেই এসব ডিভাইসের দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু দাম দিয়ে একটি এলইডি মাস্ক কিনলেই কি মিলবে ঝলমলে ত্বক? আদৌ কতটা কার্যকর এগুলো? ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতা মেনে চলা জরুরি?এলইডি ফেস মাস্ক কীভাবে কাজ করে?এলইডি ফেস মাস্ক মূলত একটি নন-ইনভেসিভ স্কিনকেয়ার ডিভাইস। এতে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের বিভিন্ন স্তরে কাজ করে কোষের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব ডিভাইসে সাধারণত আলট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি থাকে না। তবে ইউভি রশ্মি না থাকলেই যে ডিভাইসটি সবার জন্য ঝুঁকিমুক্ত, এমন নয়।লাল, নীল ও নিয়ার-ইনফ্রারেড, প্রতিটি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা এবং কাজও আলাদা। কোন আলো আপনার ত্বকের জন্য উপযোগী, তা নির্ভর করে ত্বকের ধরন ও সমস্যার ওপর।কোন রঙের আলো কী কাজে লাগে?লাল আলো (৬৩০–৬৬০ BBন্যানোমিটার): ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখা ফাইব্রোব্লাস্ট কোষের কার্যক্রমকে উদ্দীপিত করতে পারে লাল আলো। ফলে নিয়মিত ও সঠিক ব্যবহারে সময়ের সঙ্গে ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা ও অসমতল ভাব কিছুটা কমতে পারে। তবে ফল সাধারণত ধীরে আসে, আর সবার ক্ষেত্রে একই রকম হয় না।নিয়ার-ইনফ্রারেড আলো (৮৩০–৮৫০ ন্যানোমিটার): সাধারণ লাল আলোর তুলনায় ত্বকের গভীরে পৌঁছাতে পারে এই আলো। এটি কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ার কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। তাই ত্বকের দৃঢ়তা ও সূক্ষ্ম রেখার যত্নে নিয়ার-ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করা হয়।নীল আলো (প্রায় ৪১৫ ন্যানোমিটার): ব্রণ তৈরিতে ভূমিকা রাখা কিছু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে নীল আলো। বিশেষ করে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের প্রদাহযুক্ত ব্রণের ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হতে পারে। তবে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস বা গভীর ও বড় আকারের ব্রণের সব ধরনের সমস্যায় এ আলো কার্যকর, এমন প্রমাণ নেই।সত্যিই কি এতটা উপকারী?এলইডি ফেস মাস্কের কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। বিশেষ করে ব্রণের…
Leave a Reply