সি চিন পিং যখন চীনের প্রেসিডেন্ট এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মেয়াদের দুইবারের বাধ্যবাধকতা ভেঙে নিজেকে পুনর্বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেন, তখন থেকেই তাঁর উত্তরসূরি কে হতে পারেন—তা নিয়ে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়। সি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য উত্তরসূরিকে ছেঁটে ফেলেছেন, কিন্তু তাঁর বয়সও বাড়ছে। এমনকি তিনি ক্ষমতা নিজের হাতে রাখতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত নিজের পছন্দের কোনো উত্তরসূরি মনোনীত করাকেই সহজ পথ বলে মনে করতে পারেন।যদিও এখনো সর্বজনস্বীকৃত কোনো উত্তরসূরির নাম সামনে আসেনি। আগামী বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিসিপির ২১তম জাতীয় কংগ্রেসের আগে (বা পরেও) এমন কারও উত্থানের সম্ভাবনা কম। তবে পঞ্চম প্লেনামের ঠিক আগে প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের যেভাবে ব্যাপক রদবদল করা হচ্ছে, তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে।৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণকারী জু জোংমিংকে সাংহাইয়ের ডেপুটি পার্টি সেক্রেটারি থেকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ফলে তিনি চীনের সর্ববৃহৎ শহরের সরকারের প্রধান হন। একপর্যায়ে অনেক পর্যবেক্ষক এই পদক্ষেপকে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জু-কে সির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পিত বার্তা হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন।চীন যেভাবে মার্কিন ডলারের আধিপত্য ভাঙতে যাচ্ছে চীন কেন বিপুল পরিমাণে সোনা কিনছে? কাহিনি কীকিন্তু বিষয়টি এত সরল নয়। এর পর থেকেই প্রাদেশিক পদগুলোতে রদবদলের গতি আরও দ্রুত হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর আনহুই, হেনান এবং ফুচিয়েন—তিনটি প্রদেশেই নতুন পার্টি সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী লি লেচেং এবং চৌ জুয়ি যথাক্রমে আনহুই ও হেনানের দায়িত্ব নেন।অন্যদিকে, ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণকারী চাও লং ফুচিয়েনের গভর্নর থেকে পদোন্নতি পেয়ে প্রাদেশিক পার্টি সেক্রেটারি হন। (চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় গভর্নরের চেয়ে পার্টি সেক্রেটারির ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।)এরপর, গত ২৬ অক্টোবর পঞ্চম প্লেনাম শুরু হওয়ার মাত্র দুদিন আগে অর্থাৎ ২৪ অক্টোবর, রদবদলের গতি আরও বাড়ে। ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ওয়াং চিজুন হুনানের এবং ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণকারী মো গাওয়ি ইউনানের পার্টি সেক্রেটারি হন। একই সময়ে তুলনামূলক তরুণ কর্মকর্তারা গভর্নরের পদের জন্য এগিয়ে…
Leave a Reply