বক্স অফিসে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার নামটা বদলে গেল আবারও। জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’কে পেছনে ফেলে আবারও শীর্ষে উঠে এল ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। এখন পর্যন্ত ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ সিনেমার আয় প্রায় ২৯২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ হাজার ৯৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ‘অ্যাভাটার’ নেমে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে, তাদের আয় প্রায় ২৯২ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। হলিউডের ইতিহাসে এখন সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা সুপারহিরো জগতে তাক লাগিয়ে দেওয়া সিনেমা।আবার এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ‘এন্ডগেম: এনকোর’। সিনেমা হলে আবার মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে নতুন করে কয়েক মিনিটের ক্লিপসহ মুক্তি দেওয়া হয়েছে সিনেমাটি। সাত বছর আগে মুক্তি পাওয়া সিনেমার গল্প অনেকেই হয়তো ভুলে গিয়েছেন। তাই তো মার্ভেল দর্শকদের আবার মনে করিয়ে দিল সিনেমার গল্পটা। সেই সঙ্গে অ্যাভেঞ্জার্সদের নতুন ভিলেন ডক্টর ডুমের আসার ইঙ্গিতও দিয়ে গিয়েছে সিনেমাটি। ‘এন্ডগেম’ সিনেমার দুই পরিচালক অ্যান্থনি রুশো ও জো রুশোই বানাচ্ছেন ডুমসডে সিনেমাটি।‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’–এর পোস্টার। আইএমডিবি অবশ্য এন্ডগেমের শীর্ষে উঠে আসার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০১৯ সালে মুক্তির সময়েই অ্যাভাটারের রেকর্ড পড়ায় ভেঙে ফেলেছিল তারা। অ্যাভাটারকে পেছনে ফেলতে দ্বিতীয়বারের মতো সিনেমাহলে মুক্তি পেয়েছিল এন্ডগেম। অ্যাভাটারও পিছু হটেনি, বেশ কয়েকবার পুনরায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিয়ে ফেরত নেয় সেই রেকর্ড। মার্ভেলও সুযোগ বুঝে আবারও এক নম্বর জায়গাটা দখল করে নিল।রহস্য-রোমাঞ্চের মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সমুক্তির প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহে ‘এন্ডগেম এনকোর’-এর আয় বেশ কমে যায়। প্রথম সপ্তাহে ছবিটি প্রায় ২ কোটি ৬১ লাখ ডলার আয় করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় সপ্তাহে আয় ৮১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় মাত্র ৪৪ লাখ ডলারে। তবে আয় কমলেও রেকর্ড বইয়ে আবার শীর্ষে ফেরার জন্য এটুকুই যথেষ্ট ছিল।উত্তর আমেরিকার বাজারে ‘এন্ডগেম’ মুভির আয় এখন প্রায় ৮৯ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। ফলে এটি উত্তর আমেরিকার ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ আয় করা মুভি হয়ে উঠেছে। এই তালিকায় প্রথম দুটি স্থানে আছে ‘স্পাইডার-ম্যান:…
Leave a Reply