পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। ইংরেজিতে বড় প্রভাব। এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন।২২ বছরের মধ্যে পাসের হার সবচেয়ে কম। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ২৭ হাজারের বেশি। কেউ পাস করেনি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। আবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। এই চিত্র দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের। সব মিলিয়ে ফলাফলে বড় ধরনের অবনতির চিত্র সামনে এসেছে।এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ছাড়া প্রায় সব বোর্ডেই ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার কম। বাধ্যতামূলক এ বিষয়ে দুর্বল ফল সামগ্রিক পাসের হার কমার অন্যতম কারণ মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে তুলনামূলক খারাপ ফলও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া উত্তরপত্র মূল্যায়নে ‘কড়াকড়ি’, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো পড়াশোনা না হওয়া, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি ও কঠিন প্রশ্নপত্রের মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।গত বছরের মতো এবারও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। এবার নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছরে পাসের হার কমেছে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০২৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।শুধু পাসের হার নয়; কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও। এবার নয়টি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২১৯। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৭ হাজার ২৭১।এইচএসসিতে পাসে শীর্ষে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাঅর্ধেক পরীক্ষার্থীই ফেল গতকাল শনিবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। একই দিনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি ভোকেশনাল ও এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়।এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫…
Leave a Reply