1. admin@timenews247.com : adminbangladesh :
  2. shamrat1012@gmail.com : Humayun Shamrat : Humayun Shamrat
  3. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  4. timenews247.com@gmail.com : timenews247.com timenews247.com : timenews247.com timenews247.com
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
Logo

মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মোগল বাহিনীর হয়ে বাংলাদেশে ১৬ বছর যুদ্ধ করেন মির্জা নাথান। সে ইতিহাস তিনি লিখেছেন ‘বাহারীস্তান-ই-গায়বী’ বইটিতে। প্রতিপক্ষ হলেও বারভূঁইয়াদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা লিখেছেন তিনি। ভোলেননি সেসব হাতির কথা, যেগুলোর কাছে মোগল বাহিনী নাকাল হয়েছে। ‘মির্জা নাথানের চোখে: বাংলার বারভূঁইয়াদের হাতি’ শিরোনামে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে ইতিহাসের সেই কিংবদন্তিগাথা প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর। আজ লেখাটি অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।মহাভারত থেকে আইন-ই-আকবরী সর্বত্র একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে আছে হাতি। মগধ রাজ্যের হাতির খুব নামডাক শুনে গ্রিক সেনারা আর এগোতে না চাওয়ায় আলেকজান্ডারকে ফিরে যেতে হয়েছিল। এটা স্কুলের ছাত্ররাও জানে। পাল ও সেন রাজাদের হাতিবহরের কথা তাঁদের সভাকবিরা ‘বিশেষণে সবিশেষ লিখে’ গেছেন প্রশস্তি ও তাম্রলিপিতে। মোগল যুগের আঁকা ছবিতে মোগল হাতির দাপট, দেহসৌষ্ঠব, সদম্ভ পদচারণ আজও রীতিমতো সম্ভ্রম আদায় করে। বাংলার নবাবদেরও ছিল যুদ্ধে সুশিক্ষিত হাতির বিশাল বাহিনী। পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার হস্তী বাহিনী নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের কূটচালে। উপমহাদেশের ঐতিহাসিক প্রায় সব যুদ্ধের জয়-পরাজয়ে হাতির ছিল বিশাল ভূমিকা। ভারতে মুসলমান অভিযানের সাফল্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মো. হাবিবুল্লাহ মুসলমান বাহিনীর সুশিক্ষিত ঘোড়ার ত্বরিতগতির আক্রমণকে বিজয়ের একটি বড় কারণ হিসেবে শনাক্ত করেছেন। পক্ষান্তরে হাতিবহরের ওপর ভারতীয় বাহিনীর নির্ভরশীলতা স্থানীয় রাজাদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রমাণ করতে চেয়েছেন তিনি। সহজেই দিক পরিবর্তনে সমর্থ দ্রুতগতিসম্পন্ন ঘোড়ার তুলনায় বিশাল এবং ধীরগতির হাতি আগন্তুক মুসলমান বাহিনীর সঙ্গে শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। উত্তর ভারতের শুষ্ক আবহাওয়ায় এবং বৃষ্টিবিহীন মাঠঘাটে ঘোড়ার এই তুলনামূলক সুবিধাগুলো নদীমাতৃক, বৃষ্টিবহুল জলাজঙ্গুলে বাংলাদেশের ভেজা স্যাঁতসেঁতে যুদ্ধের মাঠে অনেকটাই অকেজো হয়ে দাঁড়ায়। উত্তর ভারতের যুদ্ধের প্রান্তরে ঘোড়ার দাপট বাংলামুলুকে এসে অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছিল। এর প্রমাণ রয়েছে ইংরেজ বণিক র‍্যালফ ফিচের (১৫৮৩-১৫৯০) বর্ণনায়, যিনি আকবরের জন্য রানি এলিজাবেথের চিঠি নিয়ে হিন্দুস্থানে এসেছিলেন।ফিচ দুবার বাংলায় আসেন—১৫৮৩ ও ১৫৮৪ সালে। তখন দখলদার মোগল শাসন সবেমাত্র বাংলায় ভিত গেড়ে বসার চেষ্টা করছে; আর…

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
  1. © All rights reserved © 2023 timenews247.com
Developer By Zorex Zira