ভ্লাদিমির পুতিন দীর্ঘমেয়াদি ছক কষে খেলেন। কয়েক দশক ধরে তিনি ইউক্রেনকে নিজের অধীনে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বহু বছর ধরেই তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছেন। এখন সেই দ্বিতীয় প্রচেষ্টার সাফল্য পুতিনকে প্রথম ক্ষেত্রের ব্যর্থতাগুলো কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করছে। ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় পাঁচ বছর ধরে রাশিয়ার লক্ষ্য ভেস্তে যাওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন তাঁকে জয়ের মুখ দেখতে সাহায্য করছেন।রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে, ইউক্রেনে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা ছাঁটাই করে, গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান ব্যাহত করে এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পুতিনের যুদ্ধের শর্তগুলো মেনে নিতে চাপ দিয়ে ট্রাম্প রাশিয়ার জন্য ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল এবং কিয়েভের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তগুলোয় কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করছেন। পুতিন কেন আরও আগ্রাসী হয়ে উঠছেনসামনে নির্বাচন, পুতিন কেন ভয় পাচ্ছেন ইউক্রেনে পুতিনের পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরুর পর থেকে রণক্ষেত্রের চিত্র বারবার বদলেছে। শুরুতে রুশ বাহিনীর দাপট ছিল বেশি। কিন্তু ২০২২ সালের শরতের মধ্যে ইউক্রেন পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে রুশ বাহিনীর দখলে থাকা এতটাই এলাকা মুক্ত করে যে ইউক্রেনীয়দের এই অগ্রগতি ঠেকাতে পুতিন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন বলে ওয়াশিংটন আশঙ্কায় পড়েছিল।এরপর যুদ্ধটি এক বিষাদময় স্থবিরতায় রূপ নেয়—গত বসন্ত পর্যন্ত যা বহাল ছিল। কিয়েভ যখন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের ভেতরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম নতুন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, পূর্ব ইউক্রেনের দখল করা এলাকাগুলোয় রাশিয়ার রসদ সরবরাহের পথ আক্রমণ করার মতো মাঝারি পাল্লার ড্রোন এবং ইউক্রেনীয় শহরগুলোয় রাশিয়ার হামলা রুখে দেওয়ার মতো উন্নত ইন্টারসেপ্টর ড্রোন মোতায়েন করল, তখন ইউক্রেনের পক্ষে মোড় ঘুরতে শুরু করে। পুতিনের সেনাবাহিনী সামনের সারিতে এগোতে পারছিল না, বরং ইউক্রেনীয় বাহিনীই ধীরে ধীরে নিজেদের ভূখণ্ড মুক্ত করে এগিয়ে যাচ্ছিল।ট্রাম্পকে ঘিরে পুতিনের দীর্ঘমেয়াদি ছক শুরু হয়েছিল বহু বছর আগে। নির্দিষ্ট কোনো তাৎক্ষণিক উদ্দেশ্য থেকে নয়, বরং ক্রেমলিনের প্রভাব ট্রাম্পের ওপর থাকলে কোনো একদিন তা কাজে লাগতে পারে—কেজিবির এই পুরোনো কৌশল থেকেই এর উৎপত্তি। আর আজ সেই…
Leave a Reply