টাইম নিউজ ডেস্কঃ গ্রামের মাধ্যমিক পড়ুয়া একটি ছেলে। মনের ভেতর ভয় ও সংশয় নিয়ে মফস্বল থেকে ছুটে আসে। প্রবীণদের মাঝে জরাজীর্ণ একটা ভবনের ফাটল ধরা ফ্লোরে পুরাতন ছেঁড়া কার্পেটে বসে সাহিত্য আড্ডায় যুক্ত হয়। প্রথমদিনের উপলব্ধিময় স্মৃতি, পরবর্তীতে আড্ডায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়। একাডেমির ইতিহাসে প্রথম প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে। এসব বিষয়ে লিখতে গেলে অনুভূতির শব্দ সংখ্যা বাধ্যবাধকতার জাল ছিঁড়ে বহুগুণ লম্বা হবে এটা নিশ্চিত।
প্রথমে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠায় যাঁরা যুক্ত ছিলেন; তাঁদের সবাইকে। কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও সাহিত্য একাডেমির সভাপতি (সাবেক) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনকে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার সাথে সর্বপ্রথম প্রত্যক্ষ ভোটের ব্যবস্থা করেন। একাডেমিকে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ উপহার দিতে সক্ষম হন। তার এ অকৃত্রিমতায় আজ সাহিত্য একাডেমি নির্বাচিত একটি কমিটির মাধ্যমে বেশ সরব হয়েছে।
কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি বর্তমান জেলা প্রশাসক ও সাহিত্য একাডেমির সভাপতি আহমেদ জিয়াউর রহমানের প্রতিও। একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের পঞ্চম মিটিংয়ে সাহিত্য একাডেমির ভবন সহসা পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য। আমার বিশ্বাস, সময়ের দাবি হিসেবে সিদ্ধান্তটি যত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে; ততই সীমাবদ্ধতা কেঁটে একাডেমির নিয়মিত কার্যক্রম গতিশীল ও ত্বরান্বিত হবে।
Leave a Reply