পিএসজি ৪ : ২ বার্সেলোনাপিএসজি এগিয়ে গেল, বার্সেলোনা সমতা ফেরাল। পিএসজি আবার এগিয়ে গেল, বার্সেলোনা আবার সমতা ফেরাল।এরপর পিএসজি আরও একবার এগোল, এবার আর পারল না বার্সেলোনা। উল্টো পিএসজি ব্যবধান বাড়াল আরও। প্যারিসের পার্ক দে প্রিন্সেসে দুই ইউরোপীয় পরাশক্তির লড়াই শেষ হলো ৪-২ গোলে। জয়ী দলটার নাম পিএসজি।উড়তে থাকা বার্সেলোনাকে মাটিতে নামিয়ে আনল ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের পর মৌসুমে প্রথম হারের স্বাদ পেল হান্সি ফ্লিকের দল। ফোডেনের হ্যাটট্রিকে দুর্দান্ত সিটি, ৭ গোলের ম্যাচে লিভারপুলের জয়মৌসুমের শুরুটা দারুণ ছন্দে কাটছিল বার্সেলোনার। সেই ছন্দ থামল প্যারিসে এসে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে পিএসজি। বার্সেলোনার রক্ষণে অগোছালো ভাবের সুযোগ নিয়ে প্রথম কয়েক মিনিটেই গোলের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল স্বাগতিকেরা। খিচা কাভারাস্কেইয়ার জোরালো শট ঠেকাতে ডাইভ দিয়েছিলেন হোয়ান গার্সিয়া। গোলরক্ষককে ফাঁকি দিলেও বলটি লাগে পোস্টে। পিএসজির গোল উদযাপনধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে বার্সেলোনা। অ্যান্থনি গর্ডন ও পেদ্রি গোলের সুযোগ তৈরি করেন। দানি ওলমোর জোরালো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে প্রথমার্ধেই দুই দলকে হারাতে হয় গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে। পায়ের পেছনের পেশিতে চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন পিএসজির উসমান দেম্বেলে। এরপর উঠে যান বার্সেলোনার ওলমোও।দেম্বেলের বদলি হিসেবে নেমে ফেরান তোরেস দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন। দুবারই তাঁকে আটকে দেন গার্সিয়া। ওলমোর জায়গায় নামা ফেরমিন লোপেজও গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন। একবার প্রায় একা পেয়ে গিয়েছিলেন পিএসজি গোলরক্ষক মাতভে সাফোনভকে। কিন্তু চিপ করে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা ঠেকিয়ে দেন সাফোনভ।অচলাবস্থা ভাঙে ৩৮ মিনিটে। লামিন ইয়ামালের পাস মাঝপথে আটকে পিএসজি বলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে গার্সিয়াকে ফাঁকি দেন দেজিরে দুয়ে। দ্বিতীয়ার্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে ফেরে বার্সেলোনা। কিন্তু ৫০ মিনিটে আবারও গোল বসেছিল তারা। কপাল ভালো তাদের, আশরাফ হাকিমি গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল পাঠাতে পারেননি। দারুণ সেভে বার্সাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন গোলরক্ষক গার্সিয়া।এরপর সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। আর সেই গোলের নায়ক এমন একজন,…
Leave a Reply