1. admin@timenews247.com : adminbangladesh :
  2. shamrat1012@gmail.com : Humayun Shamrat : Humayun Shamrat
  3. wordpUser10@org.com : supe1User10 :
  4. timenews247.com@gmail.com : timenews247.com timenews247.com : timenews247.com timenews247.com
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
Logo

বিছুটি ও এক জলসুন্দরীর কথা

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিছুটিগাছচোতরাপাতা বা বিছুটিপাতার নাম অনেক শুনেছি। কিন্তু গাছটি কখনো দেখলেও ভালোভাবে খেয়াল করিনি। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে সযত্নেœরাখা গাছটি চোখে পড়ল মূলত দীর্ঘ ছড়ার মতো একগুচ্ছ ফুল দেখে। গাছের ওপরের দিকে থাকা পাতগুলো দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম কদমগাছ! অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বললেন, এটা বিছুটি বা চোতরাপাতা। তাই তো, কদমগাছে দীর্ঘ ছড়ার মতো এমন গুচ্ছবদ্ধ ফুল থাকবে কেন? গাছটির সুনামের চেয়ে দুর্নামের কথাই বেশি প্রচলিত!বাকৃবি বোটানিক্যাল গার্ডেনে গাছ দেখে গেলাম কৃষি জাদুঘরে। জাদুঘরের চারপাশে অনেক দুর্লভ গাছ রোপণ করা হয়েছে। জাদুঘর–লাগোয়া পেছনের পুকুরে বিচিত্র জলজ ফুলের সমাবেশ। তার মধ্যে একটি ফুল অপেক্ষাকৃত কম চেনা। আমাদের শখের লিলি পুলে এখনো ততটা ছড়িয়ে পড়েনি। এ দুই উদ্ভিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় জানা যাক।বিছুটি বা চোতরাপাতাবিছুটিগাছের ইংরেজি নাম ‘স্টিংগিং ট্রি’ বা ডেভিলস নেটল। বড় আকারের গুল্ম বা ছোট বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ। বাকল সাদা ও মসৃণ। ছোট ডালপালাগুলো গোলাকার, সাদাটে, নরম এবং হুলযুক্ত রোমে আবৃত। এই হুল ত্বকের সংস্পর্শে এলে তীব্র চুলকানি, ত্বকে চাকা চাকা দাগ, জ্বর ও কাঁপুনি এবং ত্বকে আঠালো অনুভূতির সৃষ্টি করে। এই উপসর্গগুলো ১০ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত বারবার দেখা দিতে পারে। আক্রান্ত স্থানে প্রতিষেধক হিসেবে লেবুর রস বা হলুদ লাগালে উপসর্গগুলো তাৎক্ষণিকভাবে কমে যায়। পাতা ২০ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে। ফুল ফোটার সময় নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর। বিছুটিগাছ ৩০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চলের প্রধান গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত বনাঞ্চলের ঝরনা বা জলধারার পাশে এবং বনের নিচের স্তরের গাছপালার ভেতর জন্মে।দীর্ঘস্থায়ী জ্বরের চিকিৎসায় গাছটির মূলের রস ব্যবহারের কথা জানা যায়। এ ছাড়া জন্ডিস নিরাময়ে গাছের মূল পানিতে ফুটিয়ে ক্বাথ তৈরি করে খাওয়া হয়। ফোড়া, ক্ষত, পোড়া স্থান এবং র‌্যাশ বা ত্বকের ফুসকুড়ি সারাতে এর মূল ও পাতা দিয়ে প্রলেপ তৈরি করে ব্যবহার করা হয়। উত্তর-পূর্ব ভারতের অধিকাংশ জাতিগোষ্ঠী দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, ম্যালেরিয়া, আমাশয়, মূত্রনালির…

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
  1. © All rights reserved © 2023 timenews247.com
Developer By Zorex Zira