গত শতাব্দীতে নির্মিত ৩১ তলাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের উচ্চতা ৪৫০ ফুট। চলতি শতাব্দীতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ভবন সিটি সেন্টার, যার উচ্চতা ৫৬১ ফুট। বর্তমানে ঢাকায় ৫০০ ফুট উচ্চতার একাধিক ভবন আছে। শান্তা পিনাকেলের প্রথম ৪০ তলা ভবন।দেড় দশক আগেও ঢাকার স্কাইলাইন (আকাশরেখা) ছিল অনেকটাই সাদামাটা। তখন ২০ তলা বা এর বেশি উঁচু ভবনের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। তবে আবাসন কোম্পানির মধ্যে চেষ্টা ছিল। ফলে গড়ে উঠতে থাকে আধুনিক ধারার নিত্যনতুন আবাসন প্রকল্প। সেই ধারাবাহিকতায় এখন নতুনত্ব দেখা যাচ্ছে ঢাকার স্থাপত্যে। ঢাকায় এখন ৪০ তলা ভবন উঠেছে আকাশের দিকে। সমসাময়িক সময়ে প্রায় একই উচ্চতার ভবন আরও কয়েকটি হচ্ছে। এখানে আধুনিক সুযোগ–সুবিধার সন্নিবেশ ঘটিয়েছে আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো। নিরাপত্তা নিশ্চিতেও প্রযুক্তির ব্যবহার করছে তারা। এতে ভবনগুলোতে বাসিন্দারা জীবনযাপন ও কর্মক্ষেত্রে নতুন অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন।শুধু উঁচু দালান নয়, পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্পও হচ্ছে। সেখানে সবুজের সমারোহের পাশাপাশি দিনে সূর্যের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার, জ্বালানিসাশ্রয়ী আলোকসজ্জা, পানির অপচয় হ্রাস এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা চলছে।আবাসন খাতের একাধিক উদ্যোক্তা বলছেন, এক দশক আগেও ৫ বা ১০ কাঠার প্লটে বেশির ভাগ আবাসন প্রকল্প হতো। এখন পাশাপাশি থাকা কয়েকটি জমির মালিক মিলে আবাসন কোম্পানির কাছে যাচ্ছেন। এতে ৮০–৯০ কাঠা বা এর চেয়ে বড় জায়গায় বৃহৎ আবাসন প্রকল্প নির্মাণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্প নির্মিত হচ্ছে।জানতে চাইলে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষ বসবাস করে। ২০৩৫ সালে জনসংখ্যা বেড়ে ২৫ কোটি হতে পারে। তখন সরকারকে দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এক. বিপুলসংখ্যক মানুষের খাদ্যের সংস্থান এবং দুই. আবাসনের চাহিদা মেটানো। এমন প্রেক্ষাপটে আমাদের সুউচ্চ ভবন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এসব ভবন পরিবেশবান্ধব হিসেবেও নির্মাণ করা যায়। মাথা গোঁজার জন্য উঁচু ভবন করা না গেলে কৃষিজমি থাকবে না। সে…
Leave a Reply