হেমন্তের বৃষ্টি, হালকা কুয়াশা আর ঝরে পড়া হলুদ পাতায় অন্য রকম এক রূপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানা অঙ্গরাজ্যের মিজুলা শহর। ৩১ অক্টোবর হ্যালোউইন ঘিরে শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ। বাড়ির উঠান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সবখানেই ভূত, কঙ্কাল আর বিচিত্র সাজে জমে উঠেছে আয়োজন। প্রকৃতির রহস্যময় আবহে উৎসব পেয়েছে বাড়তি মাত্রা। ছবি তুলেছেন মোছাব্বের হোসেন। মিজুলার হেমন্তের বিকেল যেন কোনো রহস্যময় গল্পের দৃশ্য। আকাশজুড়ে মেঘ, মাঝে ঝিরঝির বৃষ্টি। রাস্তার দুই পাশের হলুদ পাতায় ছড়িয়ে আছে শরতের সৌন্দর্য কখনো হালকা কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। দূরের গাছপালা আর বাড়িঘর ঝাপসা হয়ে তৈরি করছে রহস্যময় পরিবেশ।গাছের ডালে ডালে হলুদ আর সোনালি পাতার সমারোহ। বাতাসে দুলতে দুলতে কিছু পাতা ঝরে পড়ছে ভেজা ফুটপাতে।বৃষ্টিতে ভেজা ফুটপাতের ওপর ছড়িয়ে থাকা হলুদ পাতাগুলো যেন প্রকৃতির নিজস্ব সাজসজ্জা। হ্যালোউইনের রহস্যময় আবহের সঙ্গে মিশেছে হেমন্তের কোমল সৌন্দর্য।সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় শহরের চেহারা। দিনের ব্যস্ততা কমে আসে, আর আলো-আঁধারিতে মিজুলা হয়ে ওঠে রহস্যময়। মিজুলার আশপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশে হরিণের দেখা মেলে। সন্ধ্যার নীরবতায় হঠাৎ তাদের ছুটে চলা যেন হ্যালোউইনের গল্পে যোগ করে নতুন রহস্য।সাদা কাপড়ের ভূত, কালো চোখ আর অদ্ভুত মুখের নানা সাজে সেজেছে বাড়ির দরজা। হ্যালোউইনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি কোণে। শহরের দোকানগুলোর জানালায় সাজানো হয়েছে কুমড়ো, ভূত, ডাইনি আর হ্যালোউইনের নানা উপকরণ। কেনাকাটার পাশাপাশি এসব সাজসজ্জাও হয়ে উঠেছে বাড়তি আকর্ষণ। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে রাস্তায় দেখা যায় নানা বয়সী মানুষকে। কেউ ভূত, কেউ ডাইনি, কেউ আবার পছন্দের সিনেমার চরিত্র সেজে উৎসবে যোগ দিয়েছেন।হ্যালোউইন শিশুদের কাছে আনন্দের বিশেষ উপলক্ষ। পছন্দের চরিত্রের পোশাক পরে তারা ঘুরে বেড়ায় পাড়া-মহল্লায়।বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের পরিচিত ডাক, ‘ট্রিক অর ট্রিট’। মিষ্টি বা চকলেট না দিলে মজার ছলে দুষ্টুমি করার এই ঐতিহ্য হ্যালোউইনের অন্যতম আকর্ষণ। শিশুদের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয় চকলেট, ক্যান্ডি ও নানা ধরনের মিষ্টি। রঙিন মোড়কে সাজানো এসব খাবারও উৎসবের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।হ্যালোউইন মানেই ভয়ের…
Leave a Reply