ভারতের রাজপথে এখন এক পরিচিত মুখ নেহা বোরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে বিগত কয়েক মাসে ক্ষুব্ধ ‘জেন–জি’ প্রজন্ম যে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছে, সেই প্রতিবাদী তরুণদের প্রধান প্রতীক হয়ে উঠেছেন ২৯ বছর বয়সী এই বামপন্থী ছাত্রনেত্রী। কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর পেরিয়ে তিনি এখন ভারতীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ১২ অক্টোবর ভারতের প্রধান বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী হাজার হাজার সমর্থককে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে পদযাত্রা করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবিতে আদালতে একটি আবেদন জমা দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় পদযাত্রায় সামনে থাকা দুই নারীর কাঁধে তিনি হাত রেখেছিলেন। ওই দুই নারীর একজন রাহুলের চেয়ে দুই বছরের ছোট বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাহুল গান্ধী তাঁর বোনকে নিজের ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ ও সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগী বলে অভিহিত করেছেন। অপরজন ছিলেন ২৯ বছর বয়সী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা। কয়েক মাস আগেও ছাত্ররাজনীতির বাইরে নেহা বোরার নাম খুব বেশি মানুষ জানতেন না।টানা ১২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি সবচেয়ে কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের একের পর এক ঘটনার পর ‘জেন–জি’ প্রজন্মের তরুণদের তীব্র আন্দোলনের মুখে তিনি নিজের শিক্ষামন্ত্রীকে সরাতে বাধ্য হন। এবার ভোটার তালিকার বিতর্কিত সংশোধনের কারণে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ নিয়েও মোদি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন তরুণেরা।—২৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী নিশিতা নাথ।‘আমরা কি নেহাকে “গণতন্ত্রের দেবী” বলতে পারি?’ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভ করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে। তবে বামপন্থী ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) নেত্রী নেহা বোরা দ্রুতই মোদির ক্ষমতার বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রতিবাদী মুখ হয়ে উঠেছেন।নেহা বোরা দেখতে ছিপছিপে গড়নের, চুল কালো এবং কণ্ঠস্বর বেশ গম্ভীর ও বলিষ্ঠ। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান ধর্মঘট করেন এবং পুলিশ সহজেই তাঁদের ধরে ফেলে। কিন্তু নেহা আন্দোলনকারীদের ধরতে আসা নিরাপত্তা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার এক কৌশল…
Leave a Reply